গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
পদের নাম: হিসাবরক্ষক
তারিখ: ১৭.০১.২৬
সময়: ৯০মিনিট
পূর্ণমান: ৭০
বাংলা
১। বন্ধনীর মধ্যস্থিত নিেের্দশনা মতে উত্তর দিন (১০টি) :
(ক) সারমেয় (অর্থ লিখুন)
উত্তর: কুকুর।
(খ) ফপর দালালি (বাক্য রচনা করুন)
উত্তর: তোমার মতো ছোট মানুষের এই বিষয়ে ফপর দালালি না করলেও চলবে।
(গ) কিংকর্তব্যবিমুড় (শুদ্ধরূপ লিখুন) :
উত্তর: কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
(ঘ) শুভক্ষণে জন্ম যার (এক কথায় প্রকাশ করুন)
উত্তর: ক্ষণজন্মা।
(ঙ) বাংলা একাডেমি অনুযায়ী য় এর আগের বর্ণ কোনটি?
উত্তর: বাংলা একাডেমির অভিধান অনুযায়ী য়-এর আগের বর্ণ হলো য।
(ঢ) চাঁদ (দুটি প্রতিশব্দ লিখুন)
উত্তর: শশী, নিশাকর, সুধাকর।
(ছ) সঞ্চয় (সন্ধি বিচ্ছেদ করুন)
উত্তর: সম + চয় ।
(জ) চেষ্টায় সব হয়: (কারক ও বিভক্তি লিখুন)
উত্তর: করণে ৭মী বিভক্তি।
(ঝ) যথাসাধ্য (ব্যাসবাক্যসহ সমাস লিখুন)
উত্তর: সাধ্যকে অতিক্রম না করে (অব্যয়ীভাব সমাস)।
(ঞ) সত্য কথা বলে বিপদে পড়েছি (যৌগিক বাক্যে রুপান্তর করুন)।
উত্তর: সত্য কথা বলেছি এবং বিপদে পড়েছি।
(ট) আবির্ভাব (বিপরীত শব্দ লিখুন)।
উত্তর: তিরোভাব।
(ঠ) পূজক (প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয় করুন)
উত্তর:: পূজ + অক (ণক)।
২। ভাব সম্প্রসারণ করুন:
যে জাতি চিন্তাকে লালন করে, সে জাতি সামনে এগিয়ে যাবেই।
মূলভাব: চিন্তাশীলতা হলো জাতির উন্নতির মূল চাবিকাঠি। যে জাতি জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চা করে, তাদের উন্নতি অনিবার্য।
ভাব সম্প্রসারণ: কোনো জাতির উন্নতি কেবল তার অট্টালিকা বা সম্পদের ওপর নির্ভর করে না, বরং নির্ভর করে সেই জাতির মানুষের চিন্তা করার শক্তির ওপর। চিন্তাশীল মানুষই পারে নতুন নতুন আবিষ্কারের মাধ্যমে সমাজকে বদলে দিতে। যখন একটি জাতি গতানুগতিক ধ্যান-ধারণা ত্যাগ করে গঠনমূলক চিন্তা এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে গুরুত্ব দেয়, তখন সেখানে সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটে। ইতিহাস সাক্ষী, যে জাতি জ্ঞান-চর্চায় এগিয়ে ছিল, তারাই বিশ্বে নেতৃত্ব দিয়েছে। চিন্তাশীলতাই মানুষকে অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত করে সঠিক পথের দিশা দেয়।
উপসংহার: তাই জাতীয় উন্নয়নের জন্য কেবল অবকাঠামো নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের মধ্যে মুক্ত ও প্রগতিশীল চিন্তার প্রসার ঘটানো অপরিহার্য।
৩। বাংলায় অনুবাদ করুন:
Modern technology has significantly changed human lifestyle. It has made communication faster and more convenient. However excessive dependence on technology reduces human interaction. Many people are becoming less active both physically and mentally. Therefore, technology should be used wisely.
উত্তর: আধুনিক প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করেছে। এটি যোগাযোগকে দ্রুততর এবং আরও সুবিধাজনক করেছে। তবে প্রযুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা মানুষের পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ কমিয়ে দেয়। অনেক মানুষ শারীরিক ও মানসিকভাবে কম সক্রিয় হয়ে পড়ছে। তাই প্রযুক্তির ব্যবহার বিজ্ঞতার সাথে করা উচিত।
English
৪। Write your answers as directed in the brackets (any twelve)
a) imp. (full meaning in English dictionary).
Ans: Imperative / Important / Improper.
(b) Modern (write antonym )
Ans: Ancient / Old-fashioned.
(c) End (write Synonym)
Ans: Finish / Conclusion / Terminate.
d) English and The English (write difference)
Ans: 'English' is a language
'The English' refers to the people of England.
(e) Lay out; outlay (make two sentences).
Ans: Lay out: He planned to lay out a new garden.
Outlay: The initial outlay for the business was very high.
(f) Principal-Principle (make two sentences)
Ans: Principal: Mr. Rahim is the Principal of our college.
Principle: He is a man of principle. (g) Poet (write feminine gender).
Ans: Poetess.
(h) Crises (write Singular number)
Ans: Crisis.
(i) He gave me a book (to passive).
Ans: A book was given to me by him. / I was given a book by him.
(j) The teacher ordered the student to go out (to direct).
Ans: The teacher said to the student, "Go out."
(k) He gave wrong informations (to correct).
Ans: He gave wrong information.
(l) This is excepted ____ the rules. (fill in the blanks).
Ans: from
(m) Kith and kin (make sentence)
Ans: We should help our kith and kin in their danger.
(p) He is too week to walk (to complex).
Ans: He is so weak that he cannot walk.
Paragraph: Artificial Intelligence
Artificial intelligence has transformed modern life by improving efficiency, accuracy, and access to information across fields such as medicine, education, business, and transportation. It can diagnose diseases earlier, personalize learning, automate routine tasks, and optimize traffic and energy use, saving time and resources. However, AI also brings serious misuses and risks. It can be employed for mass surveillance, spreading deepfake misinformation, enabling cybercrime, and reinforcing social biases through flawed data and opaque algorithms. Overreliance on automated systems may reduce human judgment and accountability, while job displacement can widen economic inequality. Ethical concerns about privacy, consent, and control grow as AI systems become more powerful and autonomous. Therefore, society must balance innovation with responsibility by setting clear regulations, ensuring transparency, and promoting human-centered design. When guided by strong ethical standards and public oversight, artificial intelligence can remain a tool for progress rather than a source of harm for future generations worldwide.
৬। Translate into English-
তুমি সেখানে যাওনি কেনো? শীত বলে কি বাইরে বের হওয়া যাবে না। ঘরের বাইরে তাকিয়ে দেখো, কতজন ঠাণ্ডা উপেক্ষা করে নিজের দরকারে বেরিয়ে পড়েছে। তুমিই কেবল ঘরে বসে আছো ।
Ans: Why didn't you go there? Can't one go out just because it's winter? Look outside the room, how many people have come out for their needs ignoring the cold. Only you are sitting inside.
গনিত
৭. ক) উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন: x⁴ – 3x² + 1
সমাধান: x⁴ – 3x² + 1
= (x²)² - 2x².1 +1² − (2x)²
= ( x² – 1)² – (2x)²
= (x² – 1 + 2x) ( x² – 1 – 2x )
= ( x² + 2x – 1 ) ( x² – 2x – 1)
খ) a+b = 14 এবং ab = 45 হলে a - b =?
সমাধান:
(a – b)² = (a + b)² - 4ab
= 14²-4.45
= 196-180
= 16 (Ans.)
৮. টাকায় ১০টি দরে লেবু ক্রয় করে ৮টি দরে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?
সমাধান:
১০টি লেবুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা
১০
আবার,
৮টি লেবুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা
১টি লেবুর ক্রয়মূল্য ১ টাকা
৮
সুতরাং লাভ হয় ১ _ ১ টাকা = ১ টাকা
৮ ১০ ৪০
১ টাকায় লাভ হয় ১ টাকা
১০ ৪০
১ টাকায় লাভ হয় ১০ টাকা
৪০
১০০ টাকায় লাভ হয় = ১০ × ১০০ টাকা
৪০
= ২৫ টাকা
উত্তর: ২৫%।
সাধারণ জ্ঞান
৯। সাধারণ জ্ঞান
(ক) ০.৫ × ০.০১ × ০.০০০১১ = ?
উত্তর: ০.০০০০০০৫৫
(খ) একটি বিষমকোণী ত্রিভুজে দু'টি সূক্ষ্মকোণ থাকবেই : সত্য/মিথ্যা লিখুন-
উত্তর: সত্য।
(গ) x2 + x = ?
উত্তর: x(x + 1)
(ঘ) জ্যামিতি শব্দের অর্থ: ভূমির পরিমাপ (জ্যা = ভূমি, মিতি পরিমাপ)।
(ঙ) আয়তাকার ঘনবস্তুর তল কয়টি?
উত্তর: ৬টি।
১০। জার্নাল কী? জার্নালের গুরুত্ব আলোচনা করুন।
উত্তরঃ জাবেদা বা Journal হলো হিসাবের প্রাথমিক বই, যেখানে ব্যবসায়িক লেনদেনগুলো সংঘটিত হওয়ার পর তারিখের ক্রমানুসারে ডেবিট ও ক্রেডিট বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যাসহ সর্বপ্রথম লিপিবদ্ধ করা হয়, যা হিসাবরক্ষণের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং একে হিসাবের দৈনিক বইও বলা হয়।
জার্নালের গুরুত্ব
প্রতিষ্ঠানের হিসাবের বই নির্ভুল ও স্বচ্ছ হওয়া অত্যাবশ্যক। এই হিসাবের ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ফলাফল ও সার্বিক আর্থিক অবস্থা নিরূপণ করা হয়। হিসাববিজ্ঞানের মুখ্য এই উদ্দেশ্য অর্জনে জাবেদা কীভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করে, তা সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো-
লেনদেন লিপিবদ্ধকরণ: প্রতিষ্ঠানে অসংখ্য লেনদেন সংঘঠিত হয়। এই লেনদেন সংঘঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খতিয়ানে লিপিবদ্ধ করা সম্ভব না-ও হতে পারে। জাবেদায় লেনদেন লিপিবদ্ধ থাকলে পরবর্তীতে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্তকরণে কোনো অসুবিধা হয় না।
লেনদেনের মোট সংখ্যা ও পরিমাণ জানা: খতিয়ান হতে নির্দিষ্ট দিনে, সপ্তাহে বা মাসে কয়টি লেনদেন সংঘঠিত হয়েছে তা জানা সম্ভব নয়। জাবেদায় লেনদেন তারিখের ক্রমানুসারে লেখা হয় বলে নির্দিষ্ট তারিখে, সপ্তাহে বা মাসে মোট কয়টি লেনদেন ঘটেছে তা সহজেই জানা যায়। মোট কত টাকার লেনদেন বিভিন্ন সময়ে হয়েছে, তা-ও জাবেদা থেকে জানা সম্ভব।
দ্বৈত সত্তার প্রয়োগ নিশ্চিত: দুতরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুযায়ী লেনদেন সংশ্লিষ্ট ডেবিট ও ক্রেডিট পক্ষ একত্রে জাবেদায় লেখা হয়। ফলে জাবেদা হতে দ্বৈত সত্তার প্রয়োগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
লেনদেনের ব্যাখ্যা: লেনদেন সম্পর্কিত কোনো সন্দেহ বা প্রশ্ন দেখা দিলে জাবেদা হতে তার ব্যাখ্যা পাওয়া সম্ভব। কারণ জাবেদা বইতে লেনদেন লিপিবদ্ধের পাশাপাশি লেনদেন সংঘটিত হওয়ার কারণ ও ব্যাখ্যা উল্লেখ করা হয়।
ভুল-ত্রুটি হ্রাস: লেনদেন খতিয়ানে অন্তর্ভুক্তির পূর্বে জাবেদায় লেখা হলে হিসাবে ভুল ত্রুটি ও খতিয়ানে বাদ পড়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
ভবিষ্যৎ সূত্র: জাবেদায় লেনদেনসমূহকে তারিখের ক্রমানুসারে সুশৃঙ্খলভাবে সাজিয়ে লিখে রাখা হয়। ভবিষ্যৎ যেকোনো প্রয়োজনে জাবেদাকে দলিল / প্রমাণস্বরূপ ব্যবহার করা যায়।
পাকা বহির সহায়ক: জাবেদা খতিয়ানের সহায়ক বইস্বরূপ কাজ করে বিধায়, খতিয়ান প্রস্তুত সহজ, পরিচ্ছন্ন ও নির্ভুল হয়।
১১ । ট্রায়াল ব্যালেন্স কী? ট্রায়াল ব্যালেন্সে অমিল দেখা দিলে করণীয় কী ?
উত্তরঃ খতিয়ানের হিসাবগুলোর গাণিতিক নির্ভুলতা যাচাই করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট দিনে একটি পৃথক খাতায় বা কাগজে সকল হিসাবের উদ্বৃত্তগুলোকে ডেবিট ও ক্রেডিট এই দুই ভাগে বিভক্ত করে যে বিবরণী প্রস্তুত করা হয়, তাকেই ট্রায়াল ব্যালেন্স বা ট্রায়াল ব্যালেন্স বলে।
ট্রায়াল ব্যালেন্সে অমিল দেখা দিলে করণীয়:
একটি গরমিল বা অশুদ্ধ ট্রায়াল ব্যালেন্স শুদ্ধ করার কোনো স্বতঃসিদ্ধ নিয়ম নেই। ট্রায়াল ব্যালেন্সের উভয় পার্শ্ব গরমিল হলে বুঝতে হবে হিসাবরক্ষণে কোনো ভুল আছে। সুতরাং ভুল-ত্রুটি খোঁজে বের করে ট্রায়াল ব্যালেন্স সংশোধন করার জন্য নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
১। প্রথমে ট্রায়াল ব্যালেন্সের উভয় দিকের যোগফল তথা ডেবিট ও ক্রেডিট পার্শ্বের যোগফল ঠিক আছে কি না পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
২। খতিয়ানের প্রতিটি হিসাবের জের ট্রায়াল ব্যালেন্সে তোলা হয়েছে কি না তা দেখতে হবে।
৩। হিসাবের ডেবিট ও ক্রেডিট উদ্বৃত্তগুলো যথাক্রমে ট্রায়াল ব্যালেন্সের ডেবিট ও ক্রেডিট দিকে লেখা হয়েছে কি না দেখতে হবে।
৪। জাবেদা হতে লেনদেনগুলো খতিয়ানের সংশ্লিষ্ট হিসাবে সঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
৫। খতিয়ানের যেকোনো হিসাবের উদ্বৃত্ত ট্রায়াল ব্যালেন্সে ভুল অঙ্কে ভুল ঘরে তোলা হয়েছে কি না পরীক্ষা করে দেখতে হবে।
৬। ট্রায়াল ব্যালেন্সের ডেবিট ও ক্রেডিট পার্থক্য অংককে ২ দুই দ্বারা ভাগ করে অতঃপর নির্ণীত অংকের কোনো উদ্বৃত্ত থাকলে তা সঠিক ঘরে আছে কি না দেখতে হবে।
৭। পূর্ববর্তী বছরের সম্পদ, দায় ও মালিকানা স্বত্ব হিসাবের জেরসমূহ চলতি বছরে খতিয়ানে সঠিকভাবে তোলা হয়েছে কি না তা মিলিয়ে দেখতে হবে। উপর্যুক্ত উপায়ে প্রচেষ্টা চালাবার পরও যদি ভুল ধরা না পড়ে, তাহলে অনিশ্চিত হিসাব খুলে সাময়িকভাবে ট্রায়াল ব্যালেন্স মিলিয়ে সমাপ্ত করতে হবে, তবে পরবর্তীতে ভুল খুঁজে বের করে তা সংশোধন করে অবশ্যই উক্ত অনিশ্চিত হিসাব বন্ধ করতে হবে।
১২ । চূড়ান্ত হিসাব কী? একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত হিসাব প্রস্তুতের ধাপগুলো কী কী?
উত্তরঃ চূড়ান্ত হিসাব (Final Accounts) হলো একটি নির্দিষ্ট হিসাবকাল শেষে ব্যবসায়ের প্রকৃত লাভ-ক্ষতি এবং আর্থিক অবস্থা জানার জন্য প্রস্তুতকৃত আর্থিক বিবরণী।
আর্থিক অবস্থার বিবরণীর প্রস্তুত প্রণালি:
আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে দুই স্তরে তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়। প্রথম স্তরে সম্পদসমূহকে চারটি ভাগে দেখানো হয়। যেমন : (১) স্থায়ী সম্পদ (২) দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ (৩) চলতি সম্পদ ও (৪) অলীক সম্পদ। দ্বিতীয় স্তরে মালিকানা স্বত্ব ও দায় দেখানো হয়। দায়কে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন (১) দীর্ঘমেয়াদি দায় ও (২) চলতি দায় বা স্বল্পমেয়াদি দায়।
আর্থিক অবস্থার বিবরণীতে সম্পদ ও দায়কে দুইটি পদ্ধতিতে সাজানো যায়। যথা : (১) স্থায়ী অগ্রাধিকার পদ্ধতি ও (২) তারল্যের অগ্রাধিকার পদ্ধতি। স্থায়ী অগ্রাধিকার পদ্ধতিতে সম্পদ সাজানোর ক্ষেত্রে প্রথম স্থায়ী সম্পদ লিখতে হয়। এরপর বিনিয়োগ, চলতি সম্পদ ও অলীক সম্পদ ধারাবাহিকভাবে লেখা হয়। আবার দায় লেখার ক্ষেত্রে প্রথমে দীর্ঘমেয়াদি দায় ও শেষে চলতি দায় দেখানো হয়। পক্ষান্তরে তারল্যের অগ্রাধিকার পদ্ধতি স্থায়ী অগ্রাধিকার পদ্ধতির ঠিক বিপরীত। তবে অলীক সম্পদ থাকলে তা সম্পদের শেষে দেখানো হয়।


0 Comments