ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড এ সুইচ বোর্ড এ্যাটেনডেন্ট-এ (SBA) নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড 
পদের নাম: সুইচ বোর্ড এ্যাটেনডেন্ট-এ (SBA)
পরীক্ষার তারিখ: ০৯.১০.২৬
সময়: ৬০
পূর্ণমান: ১০০

বাংলা 
১. ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণ দিয়ে তৈরি? 
ক. খ + য়
খ. ক + য়
গ. খ + ই + য়
ঘ. ক্ + ষ

উত্তর: ঘ. ক্ + ষ 
ব্যাখ্যা: ‘ক্ষ’ যুক্তবর্ণটি মূলত ক্ এবং ষ এই দুটি ব্যঞ্জবর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়।

২. ‘পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহ পুরুষ' কোন সমাসের উদাহরণ? 
ক. দ্বন্দ্ব
খ. কর্মধারয়
গ. তৎপুরুষ 
ঘ. বহুব্রীহি

উত্তর: খ. কর্মধারয় 
ব্যাখ্যা: উপমিত কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে 
তুলনা বোঝাতে ‘ন্যায়’, ‘সদৃশ” ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়। (যেমন: পুরুষসিংহ, নরসিংহ)। 

৩. কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ? 
ক. নয়-ছয় 
গ. কনকচাঁপা 
খ. খাসজমি 
ঘ. ত্রিফলা

উত্তর: ক. নয়-ছয় 
ব্যাখ্যা: যে সমাসে প্রতি সমস্যমান পদের অর্থে সমান প্রাধান্য থাকে এবং ব্যাসবাক্যে একটি সংযোজক অব্যয় (‘ও’ বা ‘এবং’) 
দ্বারা যুক্ত থাকে, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: নয়-ছয় 

৪. ‘ব্যর্থ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি? 
ক. বি + আর্থ 
গ. বি + অর্থ 
খ. ব্য + অর্থ 
ঘ. ব্য + আর্থ

উত্তর: গ 
ব্যাখ্যা: ব্যর্থ শব্দটি হলো একটি স্বরসন্ধি (নির্দিষ্টভাবে য-ফলা যুক্ত সন্ধি)। বি + অর্থ মিলে ‘ব্যর্থ” শব্দটি গঠিত হয়। 

Identify the appropriate word in the following blanks: (৫ - ৬) 
৫. Nobody ____ karim new the way. 
ক. but
খ. without  
গ. only 
ঘ. that 

উত্তর: ক. but
ব্যাখ্যা: এখানে ‘but' শব্দটি ‘except বা ‘ব্যতীত’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘Nobody but karim' মানে হলো ‘সাকিব ছাড়া আর কেউ না।' 

৬. Neither of the boys ____ present. 
ক. are
খ. were
গ. is 
ঘ. be

উত্তর: গ. is
ব্যাখ্যা : One / Any / Each / Either / Neither of এর পরে 
noun বহুবচন (boys) হলেও verb সবসময় singular হয়। তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে is 

৭. Select the synonym of 'Obsolete'? 
ক. Modern
খ. Outdated
গ. Useful 
ঘ. Gentle

উত্তর: খ. Outdated 
ব্যাখ্যা: Obsolete শব্দের অর্থ হলো সেকেলে বা অপ্রচলিত । 
এর সমার্থক শব্দ হলো Outdated । 
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ: 
Modern: আধুনিক (এটি Obsolete-এর বিপরীত শব্দ বা Antonym)। Useful: দরকারী বা প্রয়োজনীয় । Gentle: নম্র, ভদ্ৰ।

৮. Choose the indirect speech of: "She said, 'Do you like music"?" 
ক. She asked me if I liked music. 
খ. She asked I did I liked music. 
গ. She asked I liked music. 
ঘ. She asked whether do I like music. 

উত্তর: ক. She asked me if I liked music.  
ব্যাখ্যা: Subject + asked + (Object) + if + Subject (পরিবর্তিত রূপ) + Verb (Past form) + বাকি অংশ। যেমন: She asked me if I liked music. 

৯. বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি? 
ক. রাঙামাটি
খ. চট্টগ্রাম
গ. কক্সবাজার 
ঘ. সিলেট

উত্তর: ক. রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা: আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা হলো রাঙ্গামাটি জেলা, যার আয়তন প্রায় ৬,১১৬ বর্গ কিলোমিটার; এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি অংশ। 

১০. বাংলা অভিধানের রচয়িতা কে? 
ক. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর খ. ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 
গ. কাজী নজরুল ইসলাম ঘ. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
উত্তর: খ 
ব্যাখ্যা: বাংলা একাডেমি প্রকাশিত প্রথম বাংলা অভিধান হলো ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সংকলিত 'বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান '(১৯৬৫)। ১৮১৭ সালে বাংলা ভাষার প্রথম (বাংলা থেকে বাংলা) অভিধান সংকলন করেন রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। তবে পর্তুগিজ খ্রিস্টান পাদ্রি মনোএল দ্য আসসুম্পসাঁউ বাংলা  ভাষার অভিধান রচনার প্রথম চেষ্টা করেন। তার রচিত বাংলা পর্তুগিজ ভাষার শব্দকোষ গ্রন্থটি ১৭৪৩ সালে লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। 

১১. ঢাকা শহর প্রতিষ্ঠা করেন কে? 
ক. ঈশা খাঁ 
খ. আজম শাহ 
গ. ইসলাম খাঁ 
ঘ. উসমান খাঁ

উত্তর: গ. ইসলাম খাঁ 
ব্যাখ্যা: ঢাকা শহর প্রতিষ্ঠা করেন মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি ।তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার প্রথম গভর্নর, সুবাদার এবং মোঘল সম্রাজের সেনাপতি। মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে ইসলাম খান উপাধী দেন তিনি বারোভূঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলায় সুবাদারি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ১৬১০ সালে বিহারের রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন এবং নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর(সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে)। সেই হিসেবে তিনিই ঢাকা শহরের প্রতিষ্ঠাতা তিনি ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।

১২. জাতিসংঘে বাংলাদেশ কত সালে সদস্য হয়?
ক. ১৯৭১ 
গ. ১৯৭৩ 
খ. ১৯৭২ 
ঘ. ১৯৭৪

উত্তর: ঘ. ১৯৭৪ 
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষক হয় ১৭ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে। পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ জাতিসংগের ১৩৬ তম সদস্য। ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ৩টি দেশ সদস্যপদ লাভ কর। এ গুলো হচ্ছে - বাংলাদেশ, গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ। 

১৩. বাংলাদেশের প্রথম বিমান বন্দরের নাম কি? 
ক. শাহজালাল
খ. পোস্তগোলা
গ. তেজগাঁও  
ঘ. শাহ আমানত

উত্তর: ক. শাহজালাল 
ব্যাখ্যা: বাংলাদেশের প্রথম বিমান বন্দর হজরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ঢাকার উত্তর প্রান্তে কুর্মিটোলা (বালুরঘাট) নামক স্থানে অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ব্রিটিশ সরকার কোহিমা এবং বার্মার অন্যান্য রণাঙ্গনমুখী যুদ্ধবিমান চালনার জন্য ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় একটি সামরিক বিমান অবতরণ ঘাঁটি নির্মাণ করে। তেজগাঁও বিমান বন্দরটিই ছিল পূর্ব পাকিস্তানের বা বাংলাদেশের প্রথম বেসামরিক বিমান বন্দর। 

১৪. জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত? 
ক. ভিয়েনা 
গ. প্যারিস 
খ. জেনেভা 
ঘ. নিউইয়র্ক

উত্তর: ঘ. নিউইয়র্ক 
ব্যাখ্যা: জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্ক এ অবস্থিত। ১৯৪৫, ২৪শে অক্টোবর ৫১ টি সদস্য নিয়ে এর আবির্ভাব হয়। বর্তমানের সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি দেশ।

১৫. কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে? 
ক. মোহাম্মদ উল্লাহ
খ. হামিদুর রহমান
গ. ফজলুর রহমান খান 
ঘ. এনামুল কবীর

উত্তর: খ. হামিদুর রহমান 
ব্যাখ্যা: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতির নাম হামিদুর রহমান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকায় অবস্থিত ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত এই মহান স্থাপনাটির উদ্ধোধন করেন শহিদ শফিউর রহমানের পিতা মাহবুবুর রহমান। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ শহিদ মিনারের উদ্ধোধন হয়। 

১৬. বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা কখন দেয়া হয়? 
ক. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ 
খ. ১৬ মার্চ ১৯৭১ 
গ. ১১ এপ্রিল ১৯৭১ 
ঘ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ 

উত্তর: ঘ. ১০ এপ্রিল ১৯৭১  
ব্যাখ্যা: ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা দেয়া হয় হয় এবং অস্থায়ী সরকার গঠন করা হয়। অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী। 
১৭. West Zone Power Distribution Company Limited (WZPDCL) -কোন ধরণের প্রতিষ্ঠান? 
ক. বিতরণ কোম্পানি 
খ. জেনারেশন কোম্পানি 
গ. ট্রান্সমিশন কোম্পানি 
ঘ. সবগুলো

উত্তর: ক. বিতরণ কোম্পানি
ব্যাখ্যা: ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL)। এটি বাংলাদেশের একটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা । এটি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (BPDB) একটি প্রতিষ্ঠান। 

১৮. WZPDCL কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
ক. ২০০০
খ. ২০০২
গ. ২০০৫ 
ঘ. ২০০৮

উত্তর: খ. ২০০২ 
ব্যাখ্যা: ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WZPDCL) নভেম্বর ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর অধীনে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে গঠিত হয় এবং ২০০৩ সালের ১ অক্টোবর থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়। 

১৯. tan 45° এর মান কত? 
ক. 0
খ. 1 
গ. √3
ঘ. √3

উত্তর: খ. 1  
সমাধান: সমকোণী ত্রিভুজে ৪৫° কোণের ক্ষেত্রে বিপরীত বাহু 
ও সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য সমান হয়। 
 
যেহেতু tane =   বিপরীত বাহু  
                       সন্নিহিত বাহু 
তাই, tan 45° = 1/1 = 1

২০. sin²0 + cos²0 = কত?
ক. 0
খ. 1 
গ. sin² 6 
ঘ. cos² 6

উত্তর: খ. 1 
সমাধান: ত্রিকোণমিতির একটি মৌলিক পরিচিতি হলো- 
sin²0+ cos²0 = 1 
এই সম্পর্কটি যেকোনো ৪ কোণের জন্যই সর্বদা সত্য।

২১. কমপ্লেক্স সংখ্যা i² = কত? 
ক. 1
খ. -1 
গ. 0 
ঘ. i³

উত্তর: খ. -1 
সমাধান: কমপ্লেক্স সংখ্যা i -কে একক (Imaginary unit) বলা হয়। 
i = √-1 
অতএব, i² = (√−1)² = - 1

২২. যদি x = 2 হয়, তবে 3x² – 4x + 1 এর মান কত? 
ক. 5 
গ. 9 
খ. 7 
ঘ. 11

উত্তর: ক 
সমাধান: প্রদত্ত সমীকরণে x = 2 বসাই 
3(2)² - 4(2) + 1 
= 3 × 4 - 8 + 1 
= 12-8+1=5

২৩. একটি বৃত্তের ব্যস 12 সে.মি. হলে, এর পরিসীমা কত সে.মি. হবে? 
ক. 37.70 
খ. 37.80 
গ. 133.10 
ঘ. 59.12

উত্তর: ক  
সমাধান: আমরা জানি, বৃত্তের পরিধি বা পরিসীমা C = π × d
এখানে, 
ব্যাস (d) = 12 সে.মি. 
π≈ 3.1416 
C = 3.1416 × 12 সে.মি. 
= 37.6992 সে.মি. 

দশমিকের পর দুই ঘর পর্যন্ত নিলে মানটি দাঁড়ায় প্রায় 37.70 সে.মি.। 

২৪. একটি সমবাহু ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য ১২ সে.মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.? 
ক. ৭৬ 
খ. ৮৮
গ. ৩৬
ঘ. ৭২

উত্তরঃ গ. ৩৬
সমাধান: সমকোণী সমদ্বিবাহু ত্রিভুজে ক্ষেত্রফল ১/২ × ভূমি × উচ্চতা
যেহেতু, অতিভুজ = 12 সে.মি. 
তাই, ভূমি = উচ্চতা = 6 সে.মি. 
ক্ষেত্রফল = 1/2 × 6 × 12 = 36 বর্গ সে.মি.। 

২৫. তাপমাত্রা বাড়ালে অর্ধপরিবাহীর রোধ কেমন হবে? 
ক. বাড়বে 
খ. কমবে 
গ. শূন্য হবে 
ঘ. পরিবর্তন হবে না 

উত্তর: খ 
ব্যাখ্যা অর্ধপরিবাহী (Semiconductor): অর্ধপরিবাহীর (যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম) ক্ষেত্রে কক্ষ তাপমাত্রায় ভ্যালেন্স ব্যান্ডে ইলেকট্রনগুলো সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। যখন তাপমাত্রা বাড়ানো হয়, তখন তাপীয় শক্তির কারণে এই সমযোজী বন্ধন (Covalent Bond) ভেঙে যায়। এর ফলে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন এবং হোল (Hole) তৈরি হয়। এই চার্জ বাহকগুলোর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অর্ধপরিবাহীর রোধ (Resistance) কমে যায় এবং বিদ্যুৎ পরিবাহিতা (Conductivity) বেড়ে যায়। এ কারণেই অর্ধপরিবাহীকে নেগেটিভ টেম্পারেচার কো-অফিসিয়েন্ট (NTC) পদার্থ বলা 
হয়।

২৬. তাপকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে কে? 
ক. বাষ্পীয় ইঞ্জিন 
গ. রেফ্রিজারেটর 
খ. পেট্রোল ইঞ্জিন 
ঘ. তাপ ইঞ্জিন

উত্তর: ঘ. তাপ ইঞ্জিন 
ব্যাখ্যা: তাপ ইঞ্জিন (Heat Engine) এমন একটি যন্ত্র যা তাপ শক্তি গ্রহণ করে তাকে যান্ত্রিক বা শক্তিতে রূপান্তর করে। 
বাষ্পীয় ইঞ্জিন বা পেট্রোল ইঞ্জিন উভয়ই মূলত তাপ ইঞ্জিনের একেকটি প্রকারভেদ। তাই সাধারণ উত্তর হবে- তাপ ইঞ্জিন। 

২৭. ১০ ওয়াট ক্ষমতা বলতে কি বুঝায়? 
ক. ১ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১০ জুল 
খ. ২ সেকেন্ডে কৃত কাজ ৫ জুল 
গ. ৫ সেকেন্ডে কৃত কাজ ২ জুল 
ঘ. ১০ সেকেন্ডে কৃত কাজ ১ জুল 

উত্তর: ক 
ব্যাখ্যা: ক্ষমতার সংজ্ঞা অনুযায়ী- 
ক্ষমতা = কাজ / সময় 
১ ওয়াট = ১ জুল/সেকেন্ড 
:: ১০ ওয়াট মানে ১ সেকেন্ডে ১০ জুল কাজ সম্পন্ন করা। 

২৮. নিউক্লিয়ার চুল্লিতে কেন ক্যাডমিয়াম দণ্ড ব্যবহার করা হয়? 
ক. নিউট্রন নিঃসরণের জন্য 
খ. নিউট্রন শোষণ করার জন্য 
গ. নিউট্রনের গতি স্থির রাখার জন্য 
ঘ. নিউট্রনের গতি হ্রাসের জন্য 

উত্তর: খ. নিউট্রন শোষণ করার জন্য  
ব্যাখ্যা: নিউক্লিয়ার চুল্লিতে (Nuclear Reactor) শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া ঘটানো হয়। এই প্রক্রিয়ায় একটি ভারী নিউক্লিয়াস (যেমন- ইউরেনিয়াম-২৩৫) ভেঙে প্রচুর শক্তি এবং সাধারণত তিনটি করে নিউট্রন উৎপন্ন হয়। এই নতুন নিউট্রনগুলো আবার অন্য নিউক্লিয়াসকে আঘাত করে একটি শৃঙ্খল বিক্রিয়া (Chain Reaction) তৈরি করে ।যদি এই শৃঙ্খল বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা না হয়, তবে মুহূর্তের মধ্যে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। ক্যাডমিয়াম (টঈফ৳) বা বোরন ধাতুর নিউট্রন শোষণ করার ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি। তাই নিউক্লিয়ার চুল্লিতে ক্যাডমিয়াম দণ্ডকে নিয়ন্ত্রণ দণ্ড(Control Rod) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

২৯. বলের একক কোনটি?
ক. জুল
খ. নিউটন
গ. ওয়াট 
ঘ. প্যাসকেল 

উত্তর: খ. নিউটন 
ব্যাখ্যা: SI পদ্ধতিতে বলের একক হলো নিউটন (N)। 
নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র অনুযায়ী- 
                   F = ma 
যেখানে m = ভর এবং a = ত্বরণ ।

৩০. আলোর বেগ কত? 
ক) 3 × 10⁵ m/s
খ) 3 × 10⁶ m/s
গ) 3 × 10⁸ m/s
ঘ) 3 × 10¹⁰ m/s

উত্তর: গ) 3 × 10⁸ m/s 
ব্যাখ্যাঃ শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ ধ্রুব থাকে যা প্রায় ২৯,৯৭,৯২,৪৫৮ মিটার/সেকেন্ড বা সংক্ষেপে 3 × 10¹⁰ m/s। 
এটি মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ গতিবেগ । 

৩১. বৈদ্যুতিক বিভবের একক কোনটি? 
ক. কুলম্ব
খ. ভোল্ট
গ. ওয়াট 
ঘ. ওহম

উত্তর: খ. ভোল্ট
ব্যাখ্যা: বৈদ্যুতিক বিভব বা বিভব পার্থক্যের SI একক হলো ভোল্ট V । প্রতি একক চার্জকে তড়িৎ ক্ষেত্রের এক বিন্দু থেকে অন্য বিন্দুতে নিতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয়, তাকেই ভোল্টেজ বা বিভব বলে। 

৩২. এসিডের pH এর মান কত? 
ক. ৭ এর উপরে
খ. ৭ এর নিচে 
গ. ৭
ঘ. ১২

উত্তর: খ. ৭ এর নিচে 
ব্যাখ্যা: pH স্কেলে- 
pH < → এসিড 
pH = 7 → নিরপেক্ষ 
pH > 7 → ক্ষার 
অতএব, এসিডের pH মান সর্বদা ৭ এর নিচে হয়। 

৩৩. NaCl এর বন্ধন কোনটি? 
ক. সমযোজী
খ. আয়নিক
গ. ধাতব 
ঘ. হাইড্রোজেন

উত্তর: খ. আয়নিক 
ব্যাখ্যা: সোডিয়াম (Na) একটি ধাতু যা ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং ক্লোরিন (Cl) একটি অধাতু যা সেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে । বিপরীত আধানযুক্ত এই দুটি আয়ন (Na+ ও CI) স্থির বৈদ্যুতিক বলের মাধ্যমে যুক্ত হলে আয়নিক বন্ধন তৈরি করে। 

৩৪. কোনটি ক্ষারীয় ধাতু? 
ক. Na
খ. Fe
গ. Cu 
ঘ. Ag 

উত্তর: ক. Na
ব্যাখ্যা: পর্যায় সারণীর গ্রুপ-১ এর মৌলগুলোকে (যেমন- Ii, Na, K, Rb, Cs, Fr) ক্ষার ধাতু বলা হয়। সোডিয়াম (Na) এই গ্রুপের সদস্য। এগুলো পানির সাথে বিক্রিয়া করে তীব্র ক্ষার তৈরি করে। 

৩৫. এন্টাসিড জাতীয় ঔষধ সেবনে কোন ধরণের বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়? 
ক. প্রশমন 
খ. দহন 
গ. সংযোজন 
ঘ. প্রতিস্থাপন

উত্তর: ক 
ব্যাখ্যাঃ আমাদের পাকস্থলীতে খাবার হজমের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) নিঃসৃত হয়। তবে অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বা অন্য কোনো কারণে যখন এই এসিডের নিঃসরণ বেড়ে যায়, তখন আমাদের অ্যাসিডিটি বা বুক জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়। এই সমস্যা দূর করতে আমরা যে এন্টাসিড ওষুধ সেবন করি, তাতে মূলত মৃদু ক্ষার থাকে। যেমন ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড। যখন আমরা এন্টাসিড খাই, তখন এর ভেতরের ক্ষার পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিডের সাথে একটি প্রশমন বিক্রিয়া ঘটায়। এই বিক্রিয়ার ফলে এসিড ও ক্ষার একে অপরকে নিরপে করে ফেলে এবং লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। ফলে পাকস্থলীর জ্বালাপোড়া বা অ্যাসিডিটি দ্রুত প্রশমিত হয়। 

৩৬. তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে কী বলে? 
ক. গ্যালভানাইজিং 
গ. ধাতু বিশোধন 
খ. তলপ্লেটিং 
ঘ. ইলেকট্রোপ্লেটিং 

উত্তর: ঘ. ইলেকট্রোপ্লেটিং 
ব্যাখ্যা: তড়িৎ বিশ্লেষণ বা বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে একটি ধাতুর ওপর অন্য একটি ধাতুর (সাধারণত কম সক্রিয় ধাতু) প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ প্রলেপন বলে। 

৩৭. গ্যালভানিক কোষে কোনটি ঘটে? 
ক. রাসায়নিক তড়িৎ শক্তি 
খ. তড়িৎ রাসায়নিক শক্তি 
গ. তাপ রাসায়নিক শক্তি 
ঘ. তড়িৎ তাপশক্তি প্ৰতিস্থাপন

উত্তর: ক. রাসায়নিক তড়িৎ শক্তি  
ব্যাখ্যাঃ গ্যালভানিক কোষ (যা ভোল্টায়িক কোষ নামেও পরিচিত) হলো এমন একটি তড়িৎ রাসায়নিক কোষ যেখানে কোনো বাহ্যিক উৎস ছাড়াই স্বতঃস্ফূর্তভাবে সংঘটিত জারণ- বিজারণ (Redox) বিক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তি সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। ড্যানিয়েল সেল হলো এর একটি অন্যতম উৎকৃষ্ট উদাহরণ। 

৩৮. কোন গ্যাসটি এসিড বৃষ্টির কারণ? 
ক. O₂
খ. SO₂
গ. CO₂
ঘ. MnO₂

উত্তর: খ. SO₂ 
ব্যাখ্যা: এসিড বৃষ্টি প্রধান সালফার ডাইঅক্সাইড SO₂ ও নাইট্রোজেন অক্সাইড থেকে সৃষ্টি হয়। শিল্প-কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও যানবাহন থেকে নির্গত SO₂ বাতাসে জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে সালফিউরিক এসিড H2SO4 তৈরি করে। এই এসিড বৃষ্টি, কুয়াশা বা তুষারের মাধ্যমে মাটিতে পড়ে, যাকে এসিড বৃষ্টি বলা হয় । 

বিষয়ভিত্তিক লিখিত (সংক্ষিপ্ত ও রচনামূলক প্রশ্ন) 
১। বাংলায় অনুবাদ করুনঃ 
ক) He seldom makes mistakes = সে খুব কমই ভুল করে (অথবা: সে কদাচিৎ ভুল করে।) 
খ) Despite facing numerous obstacles, she remained determined to achieve her goal. = অসংখ্য বাধার সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও, সে তার লক্ষ্য অর্জনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। 

২। বাংলা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করুনঃ 
ক) আমি চাই তুমি সফল হও।
= I want you to succeed. (অথবা: I want you to be successful.) 
খ) তুমি কি আমাকে একটু পানি এনে দিতে পারবে? 
= Could you bring me some water? 

৩। একজন সুইচ বোর্ড অ্যাটেনডেন্ট এর কাজ কি কি? 
উত্তর: একজন সুইচ বোর্ড অ্যাটেনডেন্ট মূলত বিদ্যুৎ সাবস্টেশন বা পাওয়ার প্ল্যান্টের কন্ট্রোল রুমে অবস্থান করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করেন। তার প্রধান কাজগুলো নিচে আলোচনা করা হলো: 
১. বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ: সুইচ বোর্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ফিডারে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা (On) এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বন্ধ (Off) রাখা । 
২. প্যারামিটার পর্যবেক্ষণ: প্যানেল বোর্ডে থাকা মিটারগুলোর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত ভোল্টেজ, কারেন্ট, ফ্রিকোয়েন্সি এবং লোড পর্যবেক্ষণ করা। 
৩. সরঞ্জাম তদারকি: সাব-স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম যেমন: সার্কিট ব্রেকার, ট্রান্সফরমার এবং আইসোলেটর সঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা মনিটর করা। 
৪. ত্রুটি শনাক্তকরণ ও ব্যবস্থা: বিদ্যুৎ লাইনে কোনো ফল্ট বা ত্রুটি দেখা দিলে (যেমন: শর্ট সার্কিট বা ওভারলোড) দ্রুত তা শনাক্ত করা এবং সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ট্রিপ করা ব্রেকারগুলো চেক করা। 
৫. জরুরি অবস্থা পরিচালনা: কোনো যান্ত্রিক গোলযোগ বা দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 
৬. রেকর্ড সংরক্ষণ: প্রতি নির্দিষ্ট সময় অন্তর মিটার রিডিং সংগ্রহ করা এবং লগ-বইতে (Log Book) অপারেশন সংক্রান্ত সকল তথ্য লিখে রাখা। 
৭. নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ: বৈদ্যুতিক ঝুঁকি এড়াতে সর্বদা ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহার করা এবং নিরাপত্তা বিধি মেনে কাজ করা। 

৪। ফিউজ কী? এটি কেন ব্যবহার করা হয়? 
উত্তর: সংজ্ঞা: ফিউজ হলো সার্কিটের সাথে সিরিজে (Series) যুক্ত একটি অতি পাতলা ধাতব পরিবাহী তার, যার গলনাঙ্ক ( Melting Point) খুব কম। এটি মূলত একটি বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা সরঞ্জাম (Protective Device), যা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহের হাত থেকে সার্কিট এবং মূল্যবান সরঞ্জামকে রক্ষা করে। ফিউজ ব্যবহারের প্রধান কারণসমূহ: 
১. ওভারলোড থেকে সুরক্ষা: কোনো সার্কিটে যুক্ত যন্ত্রপাতি যদি তাদের ক্ষমতার চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ টানে (ওভারলোড), তখন ফিউজ তারটি উত্তপ্ত হয়ে গলে যায়। ফলে বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে মূল তার বা দামি সরঞ্জাম রক্ষা পায় । 
২. শর্ট-সার্কিট থেকে রক্ষা: লাইভ তার এবং নিউট্রাল তার কোনো কারণে সরাসরি যুক্ত হয়ে গেলে (শর্ট-সার্কিট) প্রচুর কারেন্ট প্রবাহিত হয়। ফিউজ তাৎক্ষণিকভাবে পুড়ে গিয়ে সার্কিট বিচ্ছিন্ন করে দেয়। 
৩. অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধ: অতিরিক্ত কারেন্ট প্রবাহিত হলে বৈদ্যুতিক তার বা ক্যাবল অত্যাধিক গরম হয়ে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। ফিউজ সেই অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন হওয়ার আগেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে অগ্নিকাণ্ড রোধ 
করে। 
৪. মূল্যবান যন্ত্রপাতি রক্ষা: বাসাবাড়ির টিভি, ফ্রিজ বা এসি এবং শিল্প-কারখানার মোটরের মতো দামি যন্ত্রপাতির কয়েলের নির্দিষ্ট সহনশীলতা থাকে । ফিউজ সেই সীমার বাইরে বিদ্যুৎ যেতে দেয় না । 
৫. সহজ ও সাশ্রয়ী নিরাপত্তা: ফিউজ হলো সবচেয়ে পুরনো এবং নির্ভরযোগ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা। এটি সস্তা এবং একবার পুড়ে গেলে খুব সহজেই পুনরায় তার লাগিয়ে (বা পরিবর্তন করে) 
সচল করা যায় ৷ 
উপসংহার: পরিশেষে বলা যায়, ফিউজ হলো বৈদ্যুতিক সার্কিটের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা 'বলির পাঁঠা' হিসেবে কাজ করে নিজে ধ্বংস হওয়ার মাধ্যমে পুরো সিস্টেমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। 

৫। নিউটনের তিনটি গতি সূত্র লিখুন। 
উত্তর: নিউটনের গতি সূত্ৰসমূহঃ- 
১. প্রথম সূত্রঃ বাহ্যিক কোনো বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে। 
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এটি গতির জড়তার কারণে হয়। 

২. দ্বিতীয় সূত্রঃ বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার ওপর 
প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে, বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকেই ঘটে । 
গাণিতিক রূপ: যদি কোনো বস্তুর ভর m, আদিবেগ a, প্রযুক্ত বল F এবং বল প্রয়োগের ফলে সময়ে শেষ বেগ হয়, তবে ত্বরণ 
a = v - u
         t 
সূত্রানুসারে,  
অর্থাৎ, বল = ভর × ত্বরণ। 
F = ma

৩. তৃতীয় সূত্রঃ প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। গাণিতিক রূপ: যদি প্রথম বস্তু দ্বিতীয় বস্তুর ওপর F₁ বল (ক্রিয়া) প্রয়োগ করে এবং দ্বিতীয় বস্তু প্রথম বস্তুর ওপর F₂ বল (প্রতিক্রিয়া) প্রয়োগ করে, তবে F₁ = −F₂

উদাহরণ: নৌকা থেকে নামা: যখন আমরা নৌকা থেকে তীরে লাফ দিই, আমরা পা দিয়ে নৌকাকে পেছনে ঠেলি (ক্রিয়া), ফলে নৌকা আমাদের সামনের দিকে ঠেলে দেয় (প্রতিক্রিয়া)। 

৬। ব্যক্তিগত জরুরী কাজের প্রয়োজনে এক দিনের নৈমিত্তিক ছুটি চেয়ে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন পত্র লিখুন।
09/01/2026 
বরাবর, প্রকৌশলী 
বাংলাদেশ বেতার 
সাভার, ঢাকা। 
বিষয়ঃ ৩ দিনের নৈমিত্তিক ছুটির এবং কর্মস্থল ত্যাগের জন্য আবেদন। 
মহোদয়, 
যথাবিহীত সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আগামী ৩ জানুয়ারি ২০২৬ আমার ভাগনীর বিবাহ। সেই উপলক্ষ্যে বাড়িতে বিধি কর্তব্যের জন্য আমার পক্ষে ২ থেকে ৪ জুন অফিসের কাজে যোগ দেওয়া সম্ভব হবে না। তাই আমাকে উক্ত তিন দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর করতে আবেদন জানাই । 

অতএব, উক্ত ৩ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি মঞ্জুর এবং কর্মস্থল ত্যাগের অনুমতি প্রদানের জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি। 
বিনীত 
রেজাউর রহমান 
সহকারী পরিচালক

৭। What is the meaning of load shedding? 
Answer: Load shedding is the deliberate temporary switching off of electricity in certain areas to reduce the overall demand on the power supply system./ 

৮। Write a short article on "Social media: blessing or curse"
Social Media: Blessing or Curse 
Social media has become an inseparable part of modern life, connecting people across the  globe within seconds. It allows individuals to share ideas, stay informed, promote businesses, and maintain relationships regardless of distance. Students use it for learning, professionals for networking, and communities for raising awareness about social, cultural, and humanitarian issues. In this sense, social media is truly a blessing, as it gives everyone a voice and creates opportunities that were unimaginable a few decades ago. 

However, social media also has a darker side. Excessive use can lead to addiction, loss of productivity, and mental health problems such as anxiety and depression. The spread of misinformation, cyberbullying, and invasion of privacy are serious concerns. Many people compare their lives with unrealistic images online, which can damage self-esteem and personal relationships. 

In conclusion, social media is neither entirely a blessing nor a curse; it depends on how it is used. When used wisely and responsibly, it can be a powerful tool for communication. and progress. But misuse can cause harm to individuals and society. Therefore, balanced and ethical use of social media is essential to enjoy its benefits while avoiding its dangers.

৯. List down the functions of a switchboard. 

Answer: Functions of a Switchboard: 
1. Controls the supply of electricity to different circuits. 
2. Distributes electrical power to various points or appliances. 
3. Provides switching on and off of lights, fans, and other devices. 
4. Ensures safety by isolating circuits during faults or maintenance. 
5. Protects electrical circuits using fuses or circuit breakers. 
6. Helps in managing and organizing wiring connections. 
7. Allows easy monitoring and control of electrical loads. 

১০। ১০ ওহম ও ১৫ ওহম এর দুইটি রোধ সমাড়ালে যুক্ত হলে তুল্য রোধ কত? 

১০ ওহম ও ১৫ ওহম রোধ সমান্তরালে যুক্ত হলে—

1R=110+115=530=16​

অতএব তুল্য রোধ = ৬ ওহম

সমাধানঃ 
১১ । a + 3ab = 8 এবং ab = 2 হলে a + b = কত? 
সমাধানঃ 
দেওয়া আছে, a + 3ab = 8 ab = 2 
সুতরাং a + 3(2) = 8 
বা, a+6 = 8 
বা, a = 2 
ab = 2 
⇒ 2.b = 2 
বা, 2.b=2 
⇒b=1 
 
সুতরাং a+b=2+1 = 3 (Ans.) 

১২। একটি সমান্তরাল পাত ধারকের ক্ষেত্রফল ১.৪ বর্গমিটার এবং বায়ু মাধ্যমে পাতদ্বয়ের মধ্যবর্তী দূরত্ব ০.০৩ মিটার হলে এর ধারকত্ব নির্ণয় করুন। 

দেওয়া আছে—
ক্ষেত্রফল, A=1.4m2A = 1.4 \, \text{m}^2
দূরত্ব, d=0.03md = 0.03 \, \text{m}
বায়ু মাধ্যমে ε0=8.85×1012F/m\varepsilon_0 = 8.85 \times 10^{-12} \, \text{F/m}

সমান্তরাল পাত ধারকের ধারকত্বের সূত্র—

C=ε0Ad​

মান বসিয়ে—

C=8.85×1012×1.40.03C = \frac{8.85 \times 10^{-12} \times 1.4}{0.03} C=4.13×1010F

উত্তর: ধারকত্ব = 4.13×10104.13 \times 10^{-10} ফ্যারাড

১৩. একটি বর্গাকার মাঠের বাইরে চারিদিকে ৫ মিটার চওড়া একটি রাস্তা আছে। রাস্তার ক্ষেত্রফল ৫০০ বর্গমিটার হলে মাঠের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করুন। [নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক)-২৩]

সমাধান
মনে করি, বর্গাকার মাঠের দৈর্ঘ্য x মিটার 
:: এর ক্ষেত্রফল x² বর্গমিটার 
রাস্তাসহ মাঠের দৈর্ঘ্য = x + (2 × 5) মিটার = (x + 10) = মিটার 
রাস্তাসহ মাঠের ক্ষেত্রফল = (x + 10)² বর্গমিটার
সুতরাং, রাস্তার ক্ষেত্রফল = (x + 10)² − x² বর্গমিটার প্রশ্নানুসারে, (x + 10 )² – x² = 500 
বা, x² + 2.x. 10 + 100 - x² = 500 
বা, 20x + 100 = 500 
বা, x = 400 / 20 
সুতরাং x = 20 
সুতরাং মাঠের ক্ষেত্রফল = 20 × 20 = 400 বর্গমিটার

Post a Comment

0 Comments